Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

ঘূর্ণাবর্তের জেরে দক্ষিণবঙ্গে দুর্যোগের আশঙ্কা! ৪০-৫০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস

Updated :  Thursday, June 11, 2026 9:58 AM

পশ্চিমবঙ্গের আবহাওয়ায় ফের বড়সড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিল আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। দক্ষিণবঙ্গে প্রাক-বর্ষার বৃষ্টি অব্যাহত থাকলেও এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে বর্ষা প্রবেশ করেনি। তবে নতুন করে তৈরি হওয়া ঘূর্ণাবর্ত এবং অক্ষরেখার প্রভাবে আগামী কয়েকদিন রাজ্যের একাধিক জেলায় ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রবিদ্যুৎসহ দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব বিহার থেকে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত একটি অক্ষরেখা বিস্তৃত হয়েছে, যা গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে গিয়েছে। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত সক্রিয় রয়েছে। এই দুই আবহাওয়াজনিত ব্যবস্থার সম্মিলিত প্রভাবেই দক্ষিণবঙ্গ ও উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগামীকাল শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া কিছুটা অস্বস্তিকর থাকতে পারে। দিনের শুরুতে কলকাতা-সহ বেশ কয়েকটি জেলায় রোদের তাপ অনুভূত হবে এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরমও থাকবে। তবে দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটতে পারে। বিকেল ও সন্ধ্যার দিকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। এছাড়াও কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। এই সময় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই বর্ষা প্রবেশ করেছে। ফলে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুরে গত কয়েকদিন ধরেই বৃষ্টির দাপট দেখা যাচ্ছে। শুক্রবারও এই জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েকদিন রাজ্যের আবহাওয়া অস্থির থাকবে। তাই প্রয়োজন ছাড়া ঝড়-বৃষ্টির সময় বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া এবং গাছের নিচে না দাঁড়ানোর জন্য সাধারণ মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে।