Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

বাইডেন প্রেসিডেন্ট হলে কেমন হবে ভারত-আমেরিকার সম্পর্ক?

Updated :  Saturday, November 7, 2020 4:22 PM

ওয়াশিংটন: ভারতের সঙ্গে আমেরিকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কটা আজকের নয়। বহু যুগ যুগ ধরে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকুন বা ট্রাম্প, এদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং থাকুক বা বর্তমানে নরেন্দ্র মোদি, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বরাবরের একটা জায়গা তৈরি করে নিয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, মঙ্গলবার আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়ে যাওয়ার পর এই মুহূর্তে ভোট গণনা চলছে। যেখানে বেশিরভাগ জায়গায় ডোনাল্ড ট্রাম্পকে টক্কর দিচ্ছেন জো বাইডেন। এমনকি এখনও পর্যন্ত পাওয়া গণনা এমনটাই বলছে, বাইডেনের জয় প্রায় নিশ্চিত। এখন প্রশ্ন হল, যদি বাইডেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন, তাহলে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কটা কেমন থাকবে?

বারাক ওবামা যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন বাইডেন। তাই ভারতের কাছে এই মুখ যথেষ্ট পরিচিত। সেক্ষেত্রে আলাপচারিতার সময় খুব একটা অসুবিধা হওয়ার কথা নয। অনেকে মনে করছেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ট্রাম্পের পথেই হাঁটবেন বাইডেন, আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো হাঁটবেন না। যে সকল ক্ষেত্রে ট্রাম্পের পথে হাঁটবেন তার মধ্যে অন্যতম হল ভারতের সঙ্গে আমেরিকার সম্পর্ক। নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন ট্রাম্প। সেই পথে হেঁটে বাইডেনও নরেন্দ্র মোদি তথা ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

প্রতিরক্ষা, কৌশলগত এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলিতে ২০০০ সাল থেকেই ভারতের প্রতি আমেরিকার নীতি খুব একটা বদলায়নি৷ আশা করা হচ্ছে, জো বাইডেনও সেই পথেই হাঁটবেন৷ তবে চিনের প্রতি বাইডেন প্রশাসনের মনোভাব কী হয়, সেদিকে তাকিয়ে থাকবে ভারত৷ কারণ, তার প্রভাব ভারতের উপরে পড়তে বাধ্য৷ প্রচারে ভারতীয়-মার্কিন ভোটারদের কাছেও সমর্থনের আবেদন করেছিলেন বাইডেন৷ ভারতের প্রতি তাঁর মনোভাব আপাতদৃষ্টিতে ইতিবাচক বলেই মনে করা হয়৷ ভারত- মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন যে জায়গায় পৌঁছেছে, তাকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করা বাইডেনের পক্ষেও সম্ভব নয়৷  সব মিলিয়ে বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে বসলে ভারতের সঙ্গে একইভাবে আমেরিকার সুসম্পর্ক বজায় থাকবে বলেই অধিকাংশ ক্ষেত্রে মনে করা হচ্ছে।