বাংলার বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (DA) মামলায় নতুন করে জটিলতা তৈরি হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ঘিরে ফের আলোচনায় রাজ্য সরকার। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে আদালতের অর্ডার কপি, যেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে সরকারের করণীয়।
কী বলেছে সুপ্রিম কোর্ট?
সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, ডিএ সংক্রান্ত মামলার শুনানি আগামী ৬ মে পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারির রায়ে রাজ্য সরকারকে ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত বকেয়া ডিএ-র প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে মেটানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
কেন পিছোল শুনানি?
১৫ এপ্রিল মামলার শুনানিতে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ লক্ষ্য করে যে, রাজ্যের তরফে কোনও স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি। এই কারণেই মামলার পরবর্তী শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং নতুন করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সরকারকে?
অর্ডার কপি অনুযায়ী আদালত জানিয়েছে—
- প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার পর স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিতে হবে
- রিপোর্টে পেমেন্টের অবস্থা ও সময়সূচি উল্লেখ করতে হবে
- কমিটির সিদ্ধান্তও বিস্তারিতভাবে জানাতে হবে
কর্মীদের প্রতিক্রিয়া
কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের তরফে জানানো হয়েছে, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।
মামলার বর্তমান অবস্থা
রিপোর্ট অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত রাজ্যের তরফে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি একাধিক কন্টেম্পট পিটিশনও দায়ের করা হয়েছে, যার মধ্যে কিছু এখনও ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
কী প্রভাব পড়তে পারে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই মামলার ফলাফলের উপর নির্ভর করছে রাজ্যের লক্ষাধিক সরকারি কর্মচারীর ভবিষ্যৎ আর্থিক প্রাপ্য। তাই আগামী শুনানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে আদালতের কড়া অবস্থান রাজ্যের উপর চাপ আরও বাড়াবে বলেই মনে করা হচ্ছে।












