Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

বিশ্বের সেরা সুন্দর বিমানবন্দরের তালিকায় ভারতের জোড়া সাফল্য! সম্মান পেল এই দুই এয়ারপোর্ট

Updated :  Tuesday, June 16, 2026 10:45 AM

ভারতের বিমান পরিবহণ পরিকাঠামো এবার বিশ্বমঞ্চে আরও এক বড় স্বীকৃতি পেল। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Prix Versailles 2026 পুরস্কারের তালিকায় বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর বিমানবন্দরগুলির মধ্যে স্থান করে নিয়েছে ভারতের দুটি বিমানবন্দর। এই সম্মান পেয়েছে নভি মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং গুয়াহাটির লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলৈ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনাল-২।

প্রতি বছর প্যারিসে ইউনেস্কোর সদর দফতরে অনুষ্ঠিত Prix Versailles Awards-এর মাধ্যমে বিশ্বের সেরা স্থাপত্য ও নকশা প্রকল্পগুলিকে সম্মান জানানো হয়। শুধুমাত্র সৌন্দর্য নয়, বরং পরিবেশবান্ধব পরিকল্পনা, সাংস্কৃতিক পরিচয় এবং আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ের ভিত্তিতেই এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

নভি মুম্বাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-১ বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তার পদ্ম-অনুপ্রাণিত নকশার জন্য। ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতীকী উপাদানকে আধুনিক স্থাপত্যের সঙ্গে মিলিয়ে এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা যাত্রীদের বিশ্বমানের অভিজ্ঞতা দেওয়ার পাশাপাশি ভারতের আধুনিক অগ্রগতির প্রতিফলন ঘটায়।

অন্যদিকে, গুয়াহাটির গোপীনাথ বরদলৈ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-২ তৈরি হয়েছে আসামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে রেখে। ‘ব্যাম্বু অর্কিড’ থেকে অনুপ্রাণিত এই নকশা উত্তর-পূর্ব ভারতের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশবান্ধব স্থাপত্যের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। বায়োফিলিক ডিজাইনের মাধ্যমে এখানে প্রকৃতি ও আধুনিক প্রযুক্তির নিখুঁত সমন্বয় ঘটানো হয়েছে।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই দুই ভারতীয় বিমানবন্দর বিশ্বের অন্যান্য নামী বিমানবন্দরগুলির সঙ্গে একই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট, চীনের গুয়াংজু, কম্বোডিয়ার কান্দাল স্টুং এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পিটসবার্গ ও সান ডিয়েগোর বিমানবন্দরগুলিও এই মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই স্বীকৃতি শুধু দুটি বিমানবন্দরের সাফল্য নয়, বরং ভারতের দ্রুত উন্নয়নশীল বিমান পরিবহণ পরিকাঠামো এবং বিশ্বমানের ডিজাইন সক্ষমতারও বড় প্রমাণ। আগামী দিনে ভারত আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল ও অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।