ভোটের আবহে উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি। তার মধ্যেই আইপ্যাক (IPAC) নিয়ে নতুন করে জল্পনা ছড়াতেই সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, ভোটের আগে ২০ দিনের জন্য বাংলায় কাজ বন্ধ রাখবে আইপ্যাক। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেয়। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজনৈতিক মহলে জোর বিতর্ক শুরু হয় এবং বিষয়টি ঘিরে বাড়তে থাকে জল্পনা।
‘চাকরি দেব’ বার্তা মমতার
তারকেশ্বরের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, যারা তৃণমূলের হয়ে কাজ করছেন, তাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। কিন্তু কাউকেই চাকরি হারাতে দেওয়া হবে না। মমতার স্পষ্ট বক্তব্য, “যারা আমাদের হয়ে কাজ করে, তাদের আমরা চাকরি দেব। একটি ছেলেকেও চাকরিহারা হতে দেব না।”
ইডি তল্লাশি নিয়েও ক্ষোভ
এদিন ইডির তল্লাশি নিয়েও সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি অভিযোগ করেন, ভোটের আগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তৃণমূল প্রার্থী দেবাশীষ কুমারের বাড়িতে তল্লাশি নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
কী নিয়ে শুরু বিতর্ক?
সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছিল, আইপ্যাক কর্মীদের ইমেইল করে জানানো হয়েছে যে ২০ দিনের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে এবং ১১ মে-র পর পুনরায় যোগাযোগ করা হবে। তবে তৃণমূলের দাবি, এই খবর সম্পূর্ণ গুজব এবং বিরোধীদের প্রচার।
রাজনৈতিক মহলে উত্তাপ
মমতার এই মন্তব্য সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ভোটের আগে এই ইস্যু আরও বড় আকার নিতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।
সামনে কী?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আইপ্যাক ইস্যু এখন ভোটের অন্যতম বড় বিতর্ক হয়ে উঠতে পারে। এর প্রভাব নির্বাচনী প্রচারেও পড়তে পারে। এই ইস্যুকে ঘিরে শাসক-বিরোধী চাপানউতোর আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ভোটের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।











