আর লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে নয়, পশ্চিমবঙ্গবাসীরা এখন ঘরে বসেই ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের জন্য আবেদন করতে পারবেন। রাজ্য সরকারের eDistrict 2.0 পোর্টাল চালু হওয়ার পর থেকে প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ ও স্বচ্ছ হয়েছে। শিক্ষা, চাকরি কিংবা বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পেতে এই সার্টিফিকেট অপরিহার্য। তাই আবেদনকারীদের জন্য নতুন এই ডিজিটাল পরিষেবা এক বড় স্বস্তি।
রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া
আবেদন শুরু করতে হলে প্রথমেই eDistrict 2.0 পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
ওয়েবসাইটে গিয়ে “Sign Up” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
নাম, জন্মতারিখ, মোবাইল নম্বর ও ইমেল আইডি দিয়ে ইউজারনেম তৈরি করতে হবে।
এরপর মোবাইল নম্বরে পাঠানো OTP দিয়ে অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করতে হবে।
ধাপে ধাপে আবেদন প্রক্রিয়া
রেজিস্ট্রেশন সম্পূর্ণ হলে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। এরপর “Services” → “Certificate” → “Local Resident Domicile Certificate” সিলেক্ট করলেই আবেদন শুরু হবে। প্রক্রিয়াটি চার ধাপে বিভক্ত:
আবেদনকারীর প্রাথমিক তথ্য: নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, মোবাইল নম্বর, ইমেল ও আধার নম্বর পূরণ করতে হবে।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম/শহর, থানা, জেলা ও পিনকোড সঠিকভাবে লিখতে হবে।
বর্তমান ঠিকানা ও অভিভাবকের তথ্য: বাবা-মা বা স্বামীর নাম ও পেশার তথ্য দিতে হবে।
জন্মস্থান ও বসবাসের বিবরণ: জন্মস্থান, শিক্ষাগত যোগ্যতা, গত ১৫ বছরের বসবাস ও সম্পত্তির বিবরণ দিতে হবে।
এছাড়া কেন সার্টিফিকেট প্রয়োজন (যেমন স্কলারশিপ, কলেজ ভর্তি বা OBC সার্টিফিকেট) তাও উল্লেখ করতে হবে।
প্রয়োজনীয় নথি
ডোমিসাইল সার্টিফিকেট পেতে কয়েকটি নথি আপলোড করা বাধ্যতামূলক।
রেসিডেন্স প্রুফ: গ্রাম পঞ্চায়েত বা পৌরসভার সার্টিফিকেট।
আধার কার্ড।
সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
জমির দলিল বা পরচা।
জন্মসনদ বা মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড।
জমা ও সার্টিফিকেট ডাউনলোড
সব তথ্য ও নথি আপলোডের পর আবেদন “Save” করে “Submit” করতে হবে। সঙ্গে সঙ্গে একটি অ্যাপ্লিকেশন নম্বর পাওয়া যাবে, যেটি দিয়ে স্ট্যাটাস ট্র্যাক করা সম্ভব। আবেদন অনুমোদিত হলে সরাসরি পোর্টাল থেকে সার্টিফিকেট ডাউনলোড করা যাবে।
সহজতর হলো সরকারি পরিষেবা
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পদক্ষেপে সাধারণ মানুষ যেমন উপকৃত হবেন, তেমনই মধ্যস্থতাকারীদের ভূমিকা কমে যাবে। আবেদন প্রক্রিয়ায় সময় ও খরচ বাঁচবে, এবং স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।










