Trending NewsAppleNYT GamesCelebrity NewsWordle tipsBig 12 SoccerCelebrity BreakupsKeith UrbanUnited Nations Day

ভোটে হারতেই বদল! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বড় নির্দেশ শুভেন্দুর, চর্চায় নবান্ন

Updated :  Tuesday, May 12, 2026 1:15 PM

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের Z প্লাস নিরাপত্তা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, ঠিক সেই সময়েই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মমতার নিরাপত্তায় কোনও রকম গাফিলতি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কলকাতা পুলিশকে।

জানা যাচ্ছে, সোমবার নবান্নে শীর্ষ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে ভিআইপি নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই বৈঠকেই উঠে আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ। প্রশাসনিক সূত্রের দাবি, শুভেন্দু স্পষ্ট জানিয়েছেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি রাখা যাবে না।

অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে পুনর্বিবেচনার ইঙ্গিত

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের Z প্লাস নিরাপত্তা নিয়ে পুনর্বিবেচনার কথা বলা হয়েছে। একজন সাংসদ হিসেবে তাঁর এই উচ্চস্তরের নিরাপত্তা প্রয়োজন কি না, তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেই খবর। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্ষেত্রে সেই ধরনের কোনও পদক্ষেপ না নেওয়ারই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রশাসনের একাংশের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধুমাত্র বিরোধী নেত্রী নন, তিনি দীর্ঘদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং এখনও জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ মুখ। সেই কারণেই তাঁর নিরাপত্তা বজায় রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের নিরাপত্তা নিয়েও বিতর্ক

উল্লেখ্য, দক্ষিণ কলকাতার হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরেই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল। ২০১৬ সালের পর তাঁর বাড়ির সামনে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। মূল রাস্তা থেকে ঢোকার সময় গার্ডরেল পেরিয়ে যেতে হত সাধারণ মানুষকে। তবে ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের পরাজয়ের পরদিনই সেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেকটাই সরিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, তাঁর বাড়ির সামনে থেকে নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পাশাপাশি ইন্টারনেট সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। যদিও প্রশাসনের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।