রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (Ayushman Bharat PM-JAY) চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত এগোচ্ছে। এরই মধ্যে উপভোক্তা নির্বাচন ও যাচাইকরণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, শুধুমাত্র রেশন কার্ড থাকলেই হবে না, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে E-KYC সম্পূর্ণ করাও বাধ্যতামূলক।
আয়ুষ্মান ভারতের জন্য কারা যোগ্য?
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন (NFSA)-এর ডেটাবেসের ভিত্তিতেই আয়ুষ্মান ভারতের উপভোক্তা নির্বাচন করা হবে।
বিশেষ করে যাদের কাছে নিম্নলিখিত ডিজিটাল রেশন কার্ড রয়েছে, তারাই এই প্রকল্পের আওতায় আসতে পারেন—
- SPHH (State Priority Household)
- PHH (Priority Household)
- AAY (Antyodaya Anna Yojana)
এই শ্রেণির রেশন কার্ডধারীদের তথ্য যাচাই করে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে।
E-KYC না করলে মিলবে না সুবিধা
স্বাস্থ্য দফতর স্পষ্ট জানিয়েছে, রেশন কার্ডের সঙ্গে E-KYC সম্পন্ন না করলে আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাওয়া যাবে না। উপভোক্তাদের পরিচয় যাচাই এবং তথ্য হালনাগাদ করার জন্য এই E-KYC প্রক্রিয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
কবে পর্যন্ত সময়?
সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২৫ জুনের মধ্যে E-KYC প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে উপভোক্তা যাচাই ও রেশন কার্ড E-KYC-এর কাজ শুরু হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হলে ভবিষ্যতে প্রকল্পের সুবিধা পেতে সমস্যা হতে পারে।
কীভাবে হবে যাচাইকরণ?
এই প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল রাখতে রাজ্য প্রশাসন বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
জানা গিয়েছে—
- ব্লক ও পুরসভা স্তরে যাচাইকরণ টিম গঠন করা হচ্ছে।
- বাড়ি বাড়ি গিয়ে উপভোক্তাদের তথ্য যাচাই করা হবে।
- সংগৃহীত তথ্য নির্দিষ্ট ডিজিটাল পোর্টালে আপলোড করা হবে।
- স্বাস্থ্য দফতরের নির্ধারিত Standard Operating Procedure (SOP) মেনেই যাচাইকরণ করা হবে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পদক্ষেপ?
আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য পরিবারগুলিকে স্বাস্থ্যবিমার সুবিধা দেওয়া হবে। তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের শনাক্ত করা এবং ডেটাবেস হালনাগাদ রাখা সরকারের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। E-KYC সম্পূর্ণ হলে উপভোক্তাদের তথ্য আরও নির্ভুল হবে এবং ভবিষ্যতে পরিষেবা পেতে কোনও জটিলতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনাও কমবে।
কী করবেন এখন?
যাদের NFSA-এর আওতায় ডিজিটাল রেশন কার্ড রয়েছে, তাঁদের যত দ্রুত সম্ভব E-KYC সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কারণ নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ না হলে আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে। রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।









